A Night with Superpowers

Place : Apple Campus, California.

Year: 2019
Vanesa : sir, we are in trouble. A virus is spreading all over the planet. #Avengers are doing there best, but nothing is going correctly.
Sir: I know. I’m also worried about this matter. Where the hell is steve ? Let me consult with him.
Vanesa: Well, Steve in his cabin with Beer.
Place: Cabin of Steve

Sir: Steve !
Steve: l know the virus is dangerous, and I’m working on it.
Sir: Steve, I know what this virus is and from where it has come !!
Steve : Fuck. Really ?? Tell me clearly.
Sir: This is the special kind of virus which doesn’t depend on any earthly matter to transmit. It’s coming from the planet …. O sorry not a planet “Pluto”.

It’s “Northern 72”. We have it’s antidote Missile. Permit me to Launch it. And Tell Mr. Stark that i m going to use Avenger’s RoofTop.
Steve : Bloody Hell. it’s not ” Northern 72″.

Coz it’s full of Methane & Ammonia…. And other “Non Erathly Matters”.

See The Lands are spreading on the sea like it was during the birth of this planet. We have very less time to breath Bro. Let it Be.

Background Score : Let it Be (The Beatles)

Suddenly Tony Stark Landed with Bang…

 I woke Up & Dream was incomplete…. The Earth Survived :p
Time : 4:30 am (approx)

Date: 22:02:2017
Characters ::-

Vanesa : Deadpool’s Girlfriend

Steve: Steve Jobs

Sir : ME

Tony Stark : Iron Man

Old School Love

​I met her last evening, saw her in a shop. I was Shocked. Obviously, After a long long time & it was full of a sudden. I discovered her as like she used to be, fully Yellow, full of Life. I went to her, smiled, talked to her, paid the shop keeper & gently hold her hand.

Her touch reminded me the old HAPPY days. It was very Nostalgic, i felt like i have found an unsolvable solution.

I took her to my room, same… alone me & she. Drizzling outside. Almost Night, i watched movie. She waited for me. I cooked, and constantly my eyes were on her.

She was so smoky hot. I loved her, love her. But, can’t forget those days i spent without her.

How can i forget her ? She was the only companion of numerous nights of my student life.

Tsk Tsk.

We were on dinner table and i smooched her tenderly, so TASTY, as like she was. Again Loving her. She is back again, No more hungry nightmares are allowed now.

I missed You a lot baby. I still love ur that false promise to get ready in #2Minutes 🙂

Thank you for coming back #Maggi.

This Is What Happens If You Blow On Your Thumb! (Plus 9 More Body Hacks)

​“Body Hacks” are tips and tricks to make your life easier. They’re easy fixes for common problems. Here are the top 10 body hacks that give the power back to you.
Slowly blow air over the pad of your thumb. It regulates breathing and controls the vagus nerve, slowing down your heart rate and eliminating the nervousness.

The next time you are about to reach for some pills to get rid of your headache, use your thumb and forefinger and pinch down on the muscle on the web of your hand (thumb on the back of your hand and forefinger underneath) and press for 2 minutes. Repeat. Most headaches and migraines will ease after just 4 minutes.

If you have trouble hearing someone at a party or on the phone, use your right ear. It’s better at picking up rapid speech. But, the left is better at picking up music tones.


Sleeping on the left side reduces the acid reflux in the body. It keeps your stomach lower than your oesophagus which will help prevent stomach acid from sliding up your throat. When you sleep on your right, the stomach is higher than the oesophagus allowing food and stomach acid to slide up your throat.


If you’ve got an itch in your throat, scratch your ear. When the nerves in the ear get stimulated, they create a reflex in the throat that causes a muscle spasm, which cures the itch.

While eating ice cream too quickly, sometimes you can’t help getting that painful sensation. It’s called Brain freeze or Ice-cream headache. It happens because the nerves in the roof of your mouth get extremely cold, which makes the brain decide that the whole body needs to be cooled down. In response, you become overheated, and consequently get a headache. You can prevent brain freeze by pressing your tongue flat against the roof of your mouth, covering as much surface area as possible. This can keep those nerves from getting too cold, which will keep your brain from thinking its freezing as well.

If your hand falls asleep, rock your head from side to side. That’ll wake your hand or arm up in less than a minute. Your hand falls asleep because of the nerves in your neck compressing so loosening your neck is the cure. If your foot falls asleep, that’s governed by nerves lower in the body, so you need to stand up and walk around.

Plug your ears with your fingers and drink a glass of water through a straw. No one really knows why this works, but it’s kind of like you are ‘swallowing down’ your hiccup.


If you scratch or rub the back of your calf for a few moments, really vigorously, you may interrupt the message from your bladder to your brain just long enough for you to make it to the toilet.

You can stop a toothache by rubbing ice on the back of your hand. The nerve pathways there stimulate a part of the brain that blocks pain signals from your mouth. 

Vicky “Raghav” Kaushal

​He made an impressive debut as Deepak (a boy from banaras) in Masaan and his role as a man on a self-discovery journey in Zubaan cemented his standing as an able actor.
In his three-films old career, actor Vicky Kaushal is already being touted as the new poster-boy of independent cinema.

Actors around the world have to wait for years to walk the red carpet at the Cannes Film Festival. But not Vicky Kaushal. The 28-year-old actor just can’t shake off the Cannes connection. In a four-year career, he’s already been there twice.
The first movie he worked on as an assistant director (AD) — Gangs of Wasseypur — premiered at Cannes Directors’ Fortnight in 2012. Then Came #Masaan, & Vicky’s transformation as Deepak was really bright.
Bollywood’s award-winning action director Sham Kaushal’s son, Vicky, was born in a chawl in Malad. Although his father was working on multiple films, he doesn’t remember visiting the sets often. He followed his dream to pursue an Engineering Degree, and he did it.
Like most engineering students, Kaushal (a student of Rajiv Gandhi Institute of Technology, Versova) was kicked about the industrial visit, popularly known as the IV. The IV gives students an idea of the kind of job they will do for the rest of their lives. Kaushal got a reality check instead. I think he was f***d up seeing people searching the world behind the computer screen.

Kaushal graduated as an electronics and telecommunications engineer in 2009. He had job offers but as he aspired to become an actor, he got involved with theatre. Gradually an Actor was in making to burst out as a Troubling Cop #Raghav with Intense Outer shell.

Anurag Kashyap hit the Master Stroke choosing Vicky as Raghav.

Forget about Fawad Khan, Ranbir Kapoor, See Vicky in Raman Raghav 2.0, Vicky proved himself as the Next Angry Young Man of B. Town.

A long way to go…. though he is already far away in this race from others.

যন্ত্র আমি

উফ ! কতদিন তোমাকে দেখিনি !!

দেখতেও চাইনা এ কথা মিথ্যে নয় ।

…আসলে জীবন বলে সত্যি কিছু নেই,

জীবন জীবিত থাকার অভিনয় ।।

বাংলা ব্যান্ড আর কলেজ ফেস্ট থেকে কঠিন অংক টেস্ট….একটা সময় এই গানগুলো প্রচুর শুনতাম। #রূপম #ফসিলস ই ছিল যা দিয়ে আমি নিজের মনের আওয়াজ নিজের কান অব্দি পৌঁছাতাম। সেদিন মানুষ ছিলাম, তারপর #রূপম #ফসিলস #ক্যাকটাস #মাইলস…. সবাইকে প্রায় হঠাৎ ই বিদায় দিলাম। গান শোনা যেন হঠাৎ ই জীবন থেকে হারিয়ে গেল। জানতাম অভ্যেস পাল্টাতে ২১ দিন সময় লাগে, হয়তো অজান্তেই কত ২১ দিন পার হয়ে গেছে গান না শুনে। ডিগ্রীর বোঁঝা কাঁধে নিয়ে কখন যে দাস হবার জন্য চাকরি দেওয়া দোকান গুলোতে নিজেকে বিক্রি করতে ঘুরতে শুরু করেছি, নিজেই আজ ভুলে গেছি। কিন্তু এই লেখা অব্দি নিজের বাজার দাম বাড়াতে পারলাম না। যাই হোক…

যান্ত্রিক সমাজে আজ নিজেও ধীরে ধীরে যন্ত্র । যেখানে ভাবনায় বাঁচা দায়, কিন্তু, বাস্তবে বাঁচা যায়। বাঁচার লড়াই….যন্ত্র হয়ে। আজ,অনেকদিন পর হঠাৎ ‘কেন করলে এরকম’ এর কয়েকটা লাইন শুনে, সেই কলেজ এর দিন গুলো তে চলে গেল মনটা। সত্যি…. ফিরে পাওয়া যায়না কোনো কিছুই। মুহূর্তেই বাঁচি আমরা, মুহূর্তেই জীবন।কিন্তু, জীবন আজ নিতান্তই জীবিত থাকার অভিনয়…..


​অনুপম রায়… মানুষটাকে কোনোদিন দেখিনি । কোনোদিন সামনে থেকে গাইতেও শুনিনি। দেখতে চাইওনা, ওঁকে দেখে ফাঁকা ফ্রেমে আটকাতে চাইনা, আর পাঁচটা মানুষের মতো ভাবতে পারবোনা। সে এক সমুদ্র আমার কাছে, যার ঢেউয়ে আমি জীবনের রসদ পাই। ওঁর লেখায়, গানে, আমি নিজেকে খুঁজে পাই। মনে হয় ওঁ যেন আমার মনের কথাগুলোই তো বলছে। আমার ভাষার বড্ড অভাব, তাই হয়তো ও আমার মনের জঞ্জালগুলোকে ভাষা দিচ্ছে।

আমরা দুজনই Engineer, পাঁচ টাকায় দিনের শুরু আর ষোলো টাকায় শেষ টা যেমন বুঝি, তিন টাকা দিয়ে মুক্তি কিনে নিরুদ্দেশ হওয়াটাও তেমনি অনুভব করতে পারি।

কিংবা অভিমানে বলা “আমার জন্য আলো জ্বেলোনা কেও, আমি মানুষের সমুদ্রে গুনেছি ঢেউ, এই স্টেশনের চত্বরে হারিয়ে গেছি, শেষ ট্রেনে ঘরে ফেরবনা“… এত যেন আমিই বলছি।
সারাটাদিন জুড়ে কেও অনাগুনা করলেও, অবুঝের পেন্সিল আজ আর তার ছবি আঁকতে চায়না। আমার সময় ডালে আজ সত্যি পাতা ফুরিয়েছে… এত প্রেম কাছে এসেও এলোনা…।
যেখানে শুরুর কথা বলার আগেই শেষ ছিল, শুধু অভ্যেসে সেখানে মুখ ডুবিয়ে সুখ খুঁজেছি। পাইনি। একবার কেন হাজার বার বলবো আমার কেও নেই। শুধু আছে আমার মনের আবেগি সোহাগ কে ভাষা দেওয়া অনুপম এর গান।

স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই, আমাকে আমার মতো থাকতে দাও, আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি। ইচ্ছে করেই নোংরা জলে হাত ডুবাবো কব্জি থেকে কনুই, পেতেও পারি নতুন কোনো খোঁজ।

বলবোনা বাড়িয়ে দিতে হাত ; আমি আর তোমার আঙুল ধরতে চাইনা….আর আমি তোমার পাশে হাঁটতে চাইনা।… তুমি অন্য কারোর গল্পে নায়িকা, অন্য কারোর সঙ্গে বেঁধো ঘর।

অজস্রবার শুনা একটা গান লিখলাম, কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু কষ্টটাকে অনুভব করছি, জীবনকে চিনছি, একা থাকার স্বাদটা চেঁখে দেখছি।…

এই বেশ ভালো আছি…


আমি আজকাল ভালো আছি,

তোকে ছাড়া রাতগুলো আলো – হয়ে আছে

আমি আজকাল ভাল আছি।

পারদের ওঠা নামা আমাকে ভাবিয়ে তোলে না আর

ঝিনুকের রঙ চিনে নিতে শিখে গেছি আমি এবার।

শোন নতজানু হয়ে কেউ বসে নেই কোথাও

ফিরে গেছি সব কিছু ফেলে।

আর একশো বছর আমি বাঁচবই,

পড়ে দেখ,

লেখা আছে স্পষ্ট দেওয়ালে।

এক লাফে Signal পেরোতে পা আঁকড়ে ধরে না,

অজস্র কালবৈশাখী আর আছড়ে পড়ে না।

শোন অভ্যেস বলে কিছু হয় না এ পৃথিবীতে

পালটে ফেলাই বেঁচে থাকা।

আর একশো বছর আমি বাঁচবই,

জেনে রাখ,

হোক না এ পথঘাট ফাঁকা।


​আজ কাল খুব একটা ভয় কাজ করছে। মানে খুব ভয়ে আছি। কেন জানি মনে হয় কেও আমাকে follow করছে সারাক্ষন, আমার সব খবরাখবর রাখছে। নিজেকে আবদ্ধ মনে হয় । একটা মৃত্যুভয় ও কাজ করছে। মনে হচ্ছে, আর বোধ হয় খুব একটা সময় নেই হাতে। ভাবলেও ভয় লাগে, মা এর কি হবে, পরিবারটা কিভাবে দাঁড়াবে আমি না থাকলে। মরতে আমি একদম চাইনা, তাই ভয় লাগে। নিজেকে এখানে safe feel করিনা।

আজ সকালে কেও একজন ফোন করে বললো,  be careful. জিজ্ঞেস করলাম, about ?

বললো everything.
ভয়টা আরও জোরালো হয়ে গেল।

আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন…

​দেশ, জাতি, ভাষা, পোশাক, ঐতিহ্য, ইতিহাস- এগুলো এমন কিছু জিনিস যা আমাদের সবার জীবনের রসদ। সারা বিশ্ব সাক্ষী যে একটি “ভাষা” কে নিয়ে মানুষের ভালোবাসা কতটা, সেই ভাষা কে বাঁচিয়ে রাখতে হাজারো মানুষের প্রাণের বলিদান, গর্বিত “বাঙালির” গর্বের “বাংলা” ভাষা।

যদিও এপার এবং ওপার বাংলায় আজ বঙ্গদেশ বিভক্ত। কিন্তু ভাষা, প্রাণ, আত্মা, আত্মীয় সব কিছু এই দুটি দেশের বিভাজন ভুলে শুধুই বাংলায়।

যেমন করে আমরা “এক বৃন্তে দুটি কুসুম” তেমনি ভাবে দুটো দেশের ই জাতীয় সঙ্গীত আমাদের সবার কবিগুরুর সৃষ্টি।

সময়ের আধা ঘন্টা দূরত্ব থাকলেও আমাদের চিন্তা ভাবনা, আত্মার টানে কোনো দূরত্ব নেই। সেজন্যই তো বিভাজন ভুলে দু দেশের মানুষ এক হয়ে লড়েছিল স্বাধীনতার জন্য। ১৬ ডিসেম্বর,”বিজয় দিবস“, শুধুই একটা ছুটির দিন নয়, বাংলাদেশের জন্মদিন এবং ভারতবর্ষের অন্যতম একটা সফল অভিযান এর ফসল দিন। প্রতুল মুখোপাধ্যায় এর লেখায় আজ আমার গাইতে ইচ্ছে করছে….

“আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন

আমি বাংলায় বাঁধি সুর

আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর…

বাংলা আমার জীবনানন্দ, বাংলা প্রানের সুর

আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ”…